ভাবির কাছ থেকে সেক্সের জ্ঞান অর্জন

প্রথম যখন আমার মাঝে যৌবন আসল আমি বুঝতে পারি নি। কারণ আমার কোন বন্ধু বান্ধব ছিলনা। বাড়ীর চার দেয়ালের মাঝেই বসবাস করতাম। ডাক্তারে বলেছিল আমার শারীরিক সমস্যার কারণে যৌবন দেরিতে আসতে পারে পরে জানতে পারি। বয়স ১৮ চলছে আরকি? যাই হোক, আমি সেসময় বুঝতাম না শারিরিক সম্পর্ক আসলে কি? আমার এখনো ষ্পষ্ট মনে আছে, প্রথম বড় ভাইয়ের কম্পিউটারে একটা ছোট্ট ভিডিও কিপ দেখেছিলাম? দেখ লাম এক মেয়ের অন্য একটা ছেলের পেনিস (ধন) টাকে নিয়ে একবার চুষছে, আমার মাঝে মাঝে হাত দিয়ে জোরে জোরে হ্যাডল মারছে। পরে ধন থেকে ছিঁটে ছিঁটে কি যেন বেড়ল। এই সিনটা দেখার পর আমি অনেকটা উত্তেজিত হয়ে উঠেছিলাম। কেন এরকম হলো বুঝতে পারলাম না। ছ্টো কাল থেকেই আমি রাতে আলাদা ঘরে থাকি? রাতে সিটার কথা চিন্তা করতে করতে আমার লাঠিটা (ধন) জিনিসটা খাঁড়া হয়ে উঠল, মনে হয় প্যাট ছিঁড়ে বের হয়ে আসবে। নিজের অজান্তে আমি হাত দিয়ে খেঁচতে লাগলাম। খুব মজা পাচ্ছিলাম। তারপর আমার বালিশটাকে জড়িয়ে ধরে দেখি তাও খুব ভালো লাগছে,বালিশটার উপরই ধনটাকে ঘুষতে লাগলাম। খুব ভালো লাগছিল আরো জোরে জোরে ঘোষছিলাম এক পর্যায়ে আমার ধনটার কি যেন বেরিয়ে আসতে চাইছিল আমি সামলাতে পারছিলাম না। মনে মনে ভয় পেলাম পেসাব করে দিলাম না তো। ভয়ে ভয়ে উঠে দেখি, আমার দেখা ভিডিও সিনটার মতো আমার নুনু দিয়ে কিছু বেড়িয়েছে। খুব মজাও পেলাম। একটা অজানা আতঙ্কের মধ্যে, আমি সবকিছু পরিষ্কার করে ঘুমিয়ে পড়ি?
যাইহোক মূল গল্পে আসার যাক, আমার পরিবারে আমারা ৫জন সদস্য বড়ভাই আমার তিন বছরের বড়? কিন্তু বিবাহিত ভাবি কে দিয়ে মোট ৫জন তখন ভাইয়ের বিয়ের মাত্র সাতমাস হয়েছে। বিয়ের তিনমাস পর কোরিয়া চলেযায়। ভাবির বয়স মাত্র ১৮। কিছু দিনেই আমাদের মাঝে ভালো বন্ধুত্ব হয়ে যায়। আমাকে ভাবি সবসময় বলতো যে তুমি আসলেই খুব বোকা। যাইহোক রাতের ঘটনার পর সকালে ঘুম থেকে উঠতে আমার দেরি হয়। ভাবি আমার রুমে উঠাতে যেয়ে বালিলে রাতের কু-কাজ করার দাগ দেখতে পায়। ভাবি আমার সাথে খুব ফ্রি ছিলো কিন্তু কোন দিন সেক্স কিং মেয়েলি ব্যাপারে কিছু বলতো হয়তো জানতো আমার ব্যাপারে, আমার সমস্যার ব্যাপারে সবাই জানতো কিন্তু আমি জানতাম না। ভাবি আমার দিকে মিষ্টি করে তাকিয়ে হাসি দিল। তারপর পিটে হাত দিয়ে বলল উঠ তাড়াতাড়ি খাবে চল? আব্বা আম্মা বাইরে গেছে।
চলতে থাকবে...........

আমাকে না বলেই ১সম্পাহের জন্য চট্টগ্রাম চলে গেছেহঠা নানির শরীর খারাপ হওয়ায়ব্রাশ করে ভাবির সাথে খেতে বসলামকিন্তু ভাবি আমার আমার দিকে মিষ্টি করে তাকিয়ে আগের মতো হাসছেআমি ভাবির মতি গতি কিছু বুঝে উঠতে পারছিলাম নাভাবি তুমি হাসছো কেন? তুমি বুঝবে না উত্তর দিলআমারতো কৌতুহল বাড়তে থাকলোআসলো কি ব্যাপার? আমি ভাবিকে তেল মারতে থাকলাম এই সেই বলেকিছুক্ষণ পর ভাবি হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করল কাল রাতে কি হয়েছিলকাল রাতে মানে কই কিছু তো হয়নি? জেনে গেল নাকি আমি মনে মনে চিন্তা করলামদেখো আমার কাছে লুকিয়ে লাভ নেই আমি বুঝতে পেরেছি, কি বুঝতে পেরেছো, তুমি বড় হয়ে গেছোসুমন? তাই ভাবিব কাছে লুকিয়ে কোন লাভ নেই, হয়তো কোন সময় তোমার ভাবির সাহায্য লাগতে পারেআমি বললাম ঠিক আছে আমি তোমাকে সব বলছিতবে কাউকে বলতে পারবা নাতারপর আমি উপরের সব ঘটনা বললামভাবি আমাকে বোঝালো সবকিছু ভদ্রভাষায়আমিও মনোযোগী ছাত্রের মতো সব কিছু শনলামআমি লক্ষ্য করছিলাম এগুলো বলার পর থেকে ভাবি আমার খুব কাছাকাছি আরো বেশি বন্ধুর মতো হয়ে গেলকিছু আচারনেও পরিবর্তন দেখলামবাসায় আমরা দুইজন একটা ছিলাম, যদিও আমাদের বাড়ি খবু বেশী বড় ছিলনাতবে মধ্যবিত্ত ফ্যামেলীর জন্য যথেষ্ট বড় ছিলরাতে খাওয়ার পড় ভাবি বলল আমার কেন জানি আজ ভয় ভয় লাগছেতুমি আমার রুমে চলে আসো, আজতো বাসায় কেউ নেই কোন সমস্যা হবে নাআমরা দুজনে মজা করে গল্প করবো? আমিও আপত্তি করলাম নাকারণ ভাবির সঙ্গ আমারও খুব ভালো লাগেআমরা দুজনেই সমবয়সীভালোই সময় যায়আমরা দুজন মজা করে সাতদিন সময় পার করলামবাসায় আব্বা আম্মা আসালসাতদিনে ভাবি আমাকে সবকিছু শিকিয়ে ফেলেছে দক্ষ শিক্ষকের মতোআমাদের আচারণ আগের থেকে অনেক পাল্টেগেলযেমুন ইয়ার্কি করা বেশি হতে লাগলোশরীরের হাত দেওয়া উর্না কেড়ে নেওয়া দুজন দুজনকে চিমটি দেওয়া ইত্যাদিআমার মা এজিনিস গুলো লক্ষ্য করতোতবে কোন দিন কিছু বলেনিকারণ ভাবিকে ভাইয়া মেনে নেয়নিভাবি আমাকে বলেছিল ওরা দুজন দজনের বিছানার সম্পর্ক কখনো তৈরি হয়নিতাই ভাবি সবসময় অন্যরকম হয়ে থাকতোআমার সঙ্গে হাসি মজা করতো আবার চুপ হয়ে যেতকিন্তু ইদানিং ভাবী মখে সবসময় হাসি থাকতোএগুলো আম্মাও লক্ষ্য করেছে আমি বুঝতে পালামআমি বিকেলে ঘুমিয়ে আছি, আসলে ঠিক ঘুমাইনি চোখ বন্ধ করেছিলামআম্মা আর ভাবি কথা বলছে আমার কানে ভেসে আসছেআম্মার বলল দেখ নদী(ভাবির নাম) আমি জানি আমরা তোর উপর অন্যায় করেছিতোর এই বয়সে কি চাওয়া আমি বুঝি? কিন্তু তোকে আমরা মেয়ের মতো ভালোবাসি”, হ্যাঁ তার চেয়ে হয়তো বেশী ভালোবাসেন আম্মা, কিন্তু কি হয়েছে বলেন,আমিও তো আপনার উপরো কোনদিন অভিযোগ করিনি?ওর উপর আমার রাগ নেইআমি আসলে বলতে চাইছিলাম যে তুই,“ তোর আর সুমনের ব্যাপারে তুই চাইলে যা ইচ্ছা হয় তোরা দুইজনে করতে পারিস, তোর শুশুর আমার কোন আপত্তি নেই,সমনও এখন সাবালো হযে উঠেছেরুমন কখনো আর হয়তো দেশে আসবে না, সেদিন বলছিল তোকে ডির্ভোস লেটার পাঠিয়ে দেবেএতটুকু ওরকাছ থেকে আশা করিনি,ওকে মানুষ করতে পালামনাওকে জানিয়ে দিয়েছি যে, সে আমারদের পালিত সন্তানতাই এই নিয়ে মা কখনো দুঃখ করিস না, আমরা আছি নাতুই চাইলে তোর হাতে সুমনকে তুলে দিতে রাজি আছি, যদি তুই চাস? কারণ দুইজনের ভালো সময় কাটে আমি লক্ষ্য করেছিভাবী উত্তরে বললে আপনার সিন্ধান্তে আমার কোন আপত্তি নেই, তবে আম্মা আমার সময় চাই,তাছাড়া আমি সুমনের জীবনটা কেন নষ্ট করবো এবলে উঠে গেল? ভাবি কে আমি কোনদিন অন্য চোখে দেখিনি কিন্তু একথা গুলো শোনার পর উনাকে নিয়ে আমি ভাবতে লাগলামভাবির বয়স ১৮ চলছে আমার ২সপ্তাহ আগে পার হয়েছেহাইট ৫ফিট ৪ ইঞ্চিফর্সা সি­ম বুকের আপেল দুইটাই ৩২ সাইজ ব্রা লাগেবাধানো বডিশরীরের প্রতি অঙ্গে সেক্সে ভরপুরপূর্ন যৌবনবতীআমি মনে মনে চিন্তা খারাপ হবে না আমার জন্যআমাকে খুব সুখী রাখবেএর তিন মাস পরের ঘটনা হঠা একদিন বিকেলে খবর এলো যে নানী মারা গেছেআব্বা আম্মা ছুটলো চট্টগ্রামআমাকে আর ভাবীকে রেখে গেলনানী মারা যাওয়ার এফেক্ট আমাদের দুজনের মাঝে খুব পড়েনি? খাওয়ার পর দুজনে গল্প করছিলামভাবি বলল যে মভি দেখবোকিন্তু আমার কাছে তো কোন মভি নেই আমাকে টাকাদিল দুইটা ভালো রোমান্টিক ভাবি আনাতেএগুলোতে আমি ছিলাম একেবারে অজ্ঞতাই আমার ক্লাশ মেইট এর দোকানে গিয়ে নিয়ে এলামদেখতে বসেছি বিছানাই এক K¤^‡jB দুইজন শুয়ে শুয়ে আছি আর বিভিন্ন ধরনের গল্প করছিলামভাবী হঠা ছবির রোমান্টিক সীন নায়ক নায়িকার চেপে ধরা দেখে বলল সুমন তোমার কি মেয়ে মানুষের সাথে মিশতে ইচ্ছে করে না, না এর মধ্যে ২নং কাজ করে ফেলেছো? আমি বললাম আমি পুরুষ মানুষ নাইচ্ছে তো করতেই পারে,তবে কার সাথে জানো তোমার সাথে, ভাবী বলল এই ফাজিল কি বললি? কত বড় হয়েছে যে আমাকে….দেখবে নাকি আমি বললামসেই মাজায় একটা চিমঠি দিলাম,আর আ্‌মার পায়ের সাথে নদীর পা জড়িড়ে রাখলাম? কানে কানে বললাম আমার ভদ্র জিনিসটা কিন্তু জেগে উঠে লাগলে বল? তুই খুব ফাজিল হয়ে যাচ্ছিস কিন্তু!! আমরা মাঝে মাঝে তুই করে কথা বলতামআমি বললাম তুমি তো বানিয়েছো? ফাজলামু রাখ উঠে ডিক্স শেষ পাল্টা তাড়াতাড়ি
: এখুনো বল !!!
: বদমায়েস কোথাকার:
মাঝে আমারা তুই করে কথা বলতামছবি পাল্টিয়ে দিয়ে বিছানাই কম্পল মুড়ি দিয়ে দুজন পাশাপাশি এসে বসেছিআমি বললাম -তোর কি সত্যিই পুরুষ মানুষ পেতে ইচ্ছে করে না
: করে কিন্তু …………. ? সব মেয়ের পুরুষের আদর পেতে চাই, যে পাই না তার কষ্ট তুই বুঝবি নারে?
এমুন সময় ফ্লিম বাবাজির মাঝে ক্যাটপিসের আর্ভিবাব
: এই হারামজাদা কি এনেছিস দেখে আনতে পারিস নি
আমি বললাম তুই দেখবি কিনা বল? আর আমি তো জানি না যে এর ভিতর এগুলো ছিলআমার সমস্যা হবে না, তোমার হলে বন্ধ করে দাওপরে বললাম আয় না একসাথে দেখি মজা করিআমি জানি তোর কষ্ট আমি বুঝিরে আমি ছাড়া কে বুঝতে পারবেতবে আজ তোকে একটা কথা বলি আমি তোকে চায়? মনের অজান্তে তোকে আমার ভালো লাগতে লেগেছে মা-বাবারও কোন আপত্তি নেই আমি জানিতুই আ্‌মাকে বিয়ে করে ফেলআমি তোকে কোন দিন কষ্ট দেব না খুব সুখেরাখার চেষ্টা করবোনদী তো আমার দিকে ফ্যাল করে চেয়ে তাকলো
: আমি জানি তোরও খুব একটা আপত্তি নেইতুই কেন মা-বাবাকে হ্যাঁ বলছিস না
: দেখ সুমন আমার কিছু সমস্যা আছে, আমি তোর জীবনটা তো নষ্ট করতে পারি না

0 Responses to “ভাবির কাছ থেকে সেক্সের জ্ঞান অর্জন”:

Leave a comment

← Next previous → home

page number